আজ মঙ্গলবার | ০৯ জুন ২০২৬

সিলেটে চিরকুট লিখে না ফেরার দেশে চিকিৎসক পুত্র

সিলেটে চিরকুট লিখে না ফেরার দেশে চিকিৎসক পুত্র

ছবিঃ সংগৃহীত


সিলেট মহানগরীর সুবিদবাজারের মিয়া ফাজিলচিশত এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ওই শিক্ষার্থীর লেখা একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে।

 
 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে ফায়ারসার্ভিস ও বিমানবন্দর থানা পুলিশ মিয়া ফাজিলচিশত এলাকার ১৩/৩ নং বাসার চতুর্থ তলা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। 

 

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মাহদি আনজুম (১৫)। সে ডা. রুলী বিনতে রহিমের সন্তান এবং সিলেট ক্যান্টমেন্ট স্কুল এণ্ড কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। পাশাপাশি বিএনসিসি ও স্কাউট কার্যক্রমেও ছিল সক্রিয়। 

 

মাহদির ওই চিরকুটে লেখা ছিল- ‘আমার মৃত্যুর পর, অনুগ্রহ করে আমার দেহের ময়নাতদন্ত করবেন না বা এ বিষয়টি নিয়ে বেশি অনুসন্ধান করবেন না। আমি নিজের ইচ্ছাতেই জীবন শেষ করেছি। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ নেই। আর একটি অনুরোধ-যদি সম্ভব হয়, আমার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করবেন না। আর যত দ্রুত সম্ভব আমাকে ভুলে গিয়ে নিজেদের জীবন নিয়ে এগিয়ে যান।

 

পুলিশ জানায়, অন্যান্য দিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায় মাহদি। পরদিন সকাল গড়িয়ে গেলেও দরজা না খোলায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে দরজা ভেঙে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে ঝুলছে তার নিথর দেহ। তাৎক্ষনিক পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহদির লাশ উদ্ধার করে এবং ওই সময় তার একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়।

 

এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর) দেবাশীষ দাস, বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান।

 

এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান জানান, পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মাহদির লাশ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করেছে। স্কুলছাত্রের মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)