আজ রবিবার | ০৫ এপ্রিল ২০২৬

ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ল

ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ল

দেশের দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে সরকার। দোকান মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

 

রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'দোকান মালিক সমিতি তাদের কাছে আবেদন করেছিল—কমপক্ষে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দিতে। যদিও মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

 

তিনি জানান, পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিকদের বিশেষ আবেদন বিবেচনা করে পূর্বের সিদ্ধান্তটি পুনর্মূল্যায়ন করেন এবং সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমোদন দেন। তবে জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নির্ধারিত সময়সীমার আওতামুক্ত থাকবে।

 

জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, 'সবাইকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ি ও কর্মস্থলে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে।

 

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে এই সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা সময় পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনে দোকান খোলার সময় পিছিয়ে সকাল ১১টা করার প্রস্তাব দিলেও বন্ধের সময়সীমা রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানির চাহিদা বেশি থাকবে। বর্তমানে দেশে অকটেন ও পেট্রোলের তিন মাসের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ সময় কোনো কৃষক ডিজেল পেতে সমস্যায় পড়লে দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)