আজ সোমবার | ০২ মার্চ ২০২৬

আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় বড়লেখার সালেহ আহমদ নিহত

আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় বড়লেখার সালেহ আহমদ নিহত

নিহত সালেহ আহমদ


সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 

 

 

নিহত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম সালেহ আহমদ। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। তার বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়।

 

শনিবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর কাজে বের হলে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তার। 

 

 

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালানোর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। 

 

তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশের নাগরিক, একজন পাকিস্তানের ও একজন নেপালের নাগরিক। এসব হামলার ঘটনা আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫৮ জন।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সালেহ আহমেদ ইফতার শেষে জরুরি খাদ্য পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরো একজন সহকর্মী ছিলেন। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায়। মুহূর্তেই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা।

 

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল।
পরে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠায়। 

 


রবিবার সকালে অনানুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

 

 

নিহত সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কাজ করছিলেন।

 

 

দেশে তাঁর মা, স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি।

 

 

সালেহ আহমেদের চাচাতো ভাই মাহবুব আলম চৌধুরী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তাঁর মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

 

 

এদিকে আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫২টি ধ্বংস করা হয়েছে এবং দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।

 

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)