আজ সোমবার | ০৪ মে ২০২৬

 শিরোনাম
উচ্চতর স্কেলে উন্নীত হচ্ছেন সিলেটের ৬৭ শিক্ষক বিয়ানীবাজারে সরকারি কলেজে ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ, পুনঃনির্মাণ কাজ শুরু বড়লেখায় ৫ হাজার ৭৬০ কেজি অবৈধ ভারতীয় জিরাসহ একজন গ্রেপ্তার বিয়ানীবাজারে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে ফজরের নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে মুসল্লিকে হত্যা, ঘাতক আটক গোলাপগঞ্জে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ছুনু মিয়া গ্রেফতার দ্রুত সিলেট-ঢাকা ৬ লেনের কাজ শেষ করতে চান প্রধানমন্ত্রী অবশেষে বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ভারত সিলেটে সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জৈন্তাপুরে পুলিশের অ ভি যা নে ২শত ঘনফুট পাথর জ ব্দ, গ্রেফতার ২

জুমাতুল বিদা কী? এদিন কী আমল করবেন

জুমাতুল বিদা কী? এদিন কী আমল করবেন

আজ পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার বা শেষ জুমা। মর্যাদাপূর্ণ এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ‘জুমাতুল বিদা’ নামে পরিচিত। রমজান এবং জুমার সম্মিলন এই দিনটিকে মুমিন মুসলমানদের কাছে সীমাহীন মহিমাময় করে তুলেছে।

 

জুমাতুল বিদার গুরুত্ব ও মহত্ত্ব

 

জুমাতুল বিদা মূলত দুটি কারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ-

১. রমজানের বিশেষ সওয়াব: রমজান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।

২. জুমার দিনের শ্রেষ্ঠত্ব: হাদিস অনুযায়ী, জুমার দিন হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনেই হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং এই দিনেই দোয়া কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দিনের মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।’ (জামে তিরমিজি)

জুমার দিনের ৯ সুন্নত আমল

জুমাতুল বিদা বা যেকোনো জুমার দিনে বিশেষ সওয়াব হাসিলের জন্য নিচের সুন্নতগুলো পালন করা উচিত:

 

১. সাবান দিয়ে ভালোভাবে গোসল করা।

২. নতুন বা উত্তম পোশাক পরা।

৩. আতর বা সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৪. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।

৫. আগে আগে মসজিদে প্রবেশ করা।

৬. ইমামের কাছাকাছি জায়গায় বসা।

৭. মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা।

৮. বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা।

৯. কাউকে কষ্ট না দেওয়া এবং অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা।

বিশ্বব্যাপী অনেক মুসলমান রমজানের শেষ শুক্রবারকে আল-কুদস দিবস হিসেবে পালন করেন। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের পবিত্র মসজিদ আল-আকসা মুক্তির দাবিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

জুমাতুল বিদা মূলত রমজানকে বিদায় জানানোর একটি বিষাদময় মুহূর্ত। এটি আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ। এই দিনে আমাদের উচিত বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করা এবং সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)