গ্রীষ্মের তাপদাহের মধ্যে বিদ্যুতের লোডশেডিং জনজীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এর ফলে প্রতি এক ঘন্টা অন্তর অন্তর বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়তে হচ্ছে প্রবাসী অধ্যুসিত বিয়ানীবাজার উপজেলা। পৌরশহরে এক ঘন্টা পর পর বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ লোডশেডিং সে তুলনা কিছুটা বেশি।
পল্লী বিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিস জানান, এ উপজেলায় পল্লীবিদ্যুতের ৬২ হাজার ৮৯৪ গ্রাহক রয়েছেন। এর মধ্যে আবাসিক এলাকায় ৫৪ হাজার ৯১৫ এবং বাণিজ্যিক গ্রাহক রয়েছেন ৭ হাজার ৯৭৯। বিশাল এসব গ্রাহকের চাহিদা পুরণের জন্য ২৫ মেঘাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন থাকলে গত এক সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। মোট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিমাণ তিন ভাগের এক ভাগ। এর ফলে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি একঘন্টা পর দায়িত্বশীলরা বিদ্যুৎ সরবরাহ এক ঘন্টার জন্য বন্ধ করতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের কারণে পৌরশহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেমন স্থবিরতা দেখা দিয়েছে একই সাথে বন্ধ রয়েছে কল কারখানা। এর ফলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা দেখা দিয়েছে। পৌরশহরের ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুতের এ ভোগান্তি অব্যাহত থাকলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হবেন।
বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের ফলে এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটবে। এ নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চিহ্নিত রয়েছেন।
পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের এজিএম মাহমুদুল হাসান বলেন, চাহিদার তুলনায় বিয়ানীবাজারে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনেক কম হওয়ায়্কে সাথে ১৯টি ফিডার চালু রাখা যাচ্ছে না। সেজন্য পর্যায় ক্রমে এক ঘন্টা পর পর অর্ধেক ফিডার চালু ও অর্ধেক ফিডার বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.