আজ সোমবার | ২০ এপ্রিল ২০২৬

 শিরোনাম
সিলেটে হামের টিকা পাবে ১৩ লাখ ৫১ হাজার শিশু, শুরু হচ্ছে কাল বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দামও ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশীসহ ১৭ অভিবাসীর নিথর দেহ উদ্ধার লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম বড়লেখায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অন্তঃসত্ত্বা নারীর আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তি, যা জানা গেল বিয়ানীবাজারে বিদ্যুৎ ভোগান্তি চরমে, প্রতিদিন শহরে ১২গ্রামে ১৫ ঘন্টা লোডশেডিং সিলেটসহ ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস, শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা বিয়ানীবাজার থেকে প্রতিদিন উৎপাদিত হচ্ছে ১শ’ ব্যারেল পেট্রোল-অকটেন! জৈন্তাপুরে মাদকদ্রব্য কেনা-বেঁচার সময় কামাল আটক জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৪৮

ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশীসহ ১৭ অভিবাসীর নিথর দেহ উদ্ধার

ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশীসহ ১৭ অভিবাসীর নিথর দেহ উদ্ধার

ছবিঃ সংগৃহীত


ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের স্বপ্ন দেখা ১৭ জন অভিবাসীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে লিবিয়ার উপকূল থেকে। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে অবস্থিত জুয়ারা উপকূল থেকে গত কয়েক দিনে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে স্থানীয় চিকিৎসকদের একটি দল নিশ্চিত করেছে। 

 

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইমার্জেন্সি মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার জানিয়েছে, ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকারী সংস্থাটি তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে উদ্ধার অভিযানের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিতে দেখা যায় যে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মরদেহগুলো সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন। 

 

উদ্ধারকৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের মরদেহ ইতিমধ্যেই যথাযথ ধর্মীয় ও আইনি নিয়মে দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ ত্রিপোলিতে অবস্থানরত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বাকি দুইজন মরদেহের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। লিবিয়ার স্থানীয় কর্মকর্তারা এই বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করছেন যাতে নিহতদের সঠিক পরিচয় এবং তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যায়। সাধারণত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবি কিংবা সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়ার সময় তীব্র পানি ও খাদ্য সংকটে অভিবাসীদের এমন মৃত্যু ঘটে।

 

২০১১ সালে নেটো সমর্থিত বিদ্রোহের মাধ্যমে তৎকালীন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যুদ্ধ দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে বাঁচার আশায় আফ্রিকা এবং এশিয়ার হাজার হাজার মানুষ নিজেদের জীবন বাজি রেখে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। 

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)