আজ বৃহস্পতিবার | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 শিরোনাম
বড়লেখায় দুর্বৃত্তের দেওয়া বিষে ছড়ায় ভাসছে মরা মাছ-জলজ প্রাণী গোয়াইনঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান, ৮ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু গোয়াইনঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা, দুর্ভোগে ১৪ হাজার মানুষ নৃত্যশিল্পীদের গণধর্ষণ, বিয়ানীবাজার থেকে গ্রেফতার মুজাহিদ সৌদি আরবে সিলেটের প্রবাসী মতিউরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা গোলাপগঞ্জে কৃষি জমি থেকে বৃদ্ধ আসিদ আলীর মরদেহ উদ্ধার বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ৪টি ভারতীয় গরুসহ গ্রেফতার ২ জকিগঞ্জে ৬০০পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার শাহাব-জিলাল রাষ্ট্রপতি সিলেটে এসে হযরত শাহজালাল ও শাহপরাণের মাজার জিয়ারত করলেন

সিলেটে তীব্র তাপদাহে জনজীবনে হাঁসফাঁস, আরও দুদিন থাকতে পারে তাপদাহ

সিলেটে তীব্র তাপদাহে জনজীবনে হাঁসফাঁস, আরও দুদিন থাকতে পারে তাপদাহ

ছবি: সংগৃহীত


টানা প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে সিলেট। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হচ্ছে রোদের তাপ। দুপুরের দিকে নগরের ব্যস্ত সড়কগুলো অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তবে জীবিকার তাগিদে এই দাবদাহের মধ্যেও খোলা আকাশের নিচে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও দিনমজুরদের। তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন তারাই।

 

সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার চেয়ে গরমের অনুভূতি আরও বেশি হচ্ছে। এতে জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে।

 

সোমবার দুপুরে নগরের জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, বন্দরবাজার ও সুবিদবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই বাইরে বের হচ্ছেন না। যারা বের হচ্ছেন, তাদের অনেকের হাতেই ছাতা কিংবা পানির বোতল। ঠান্ডা পানীয় ও ডাবের দোকানগুলোতে তুলনামূলক বেশি ভিড় দেখা গেছে।

 

 

অন্যদিকে তীব্র রোদের মধ্যেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তাদের ঘন ঘন পানি পান করতে দেখা যায়। একইভাবে রিকশাচালক, ভ্যানচালক, নির্মাণশ্রমিক ও দিনমজুরেরা প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

চৌহাট্টা এলাকার রিকশাচালক আবদুল হক বলেন, ‘রোদে যাত্রী কমে যায়। আবার কাজ না করলে সংসার চলবে না। তাই গরমের মধ্যেই রাস্তায় থাকতে হচ্ছে।'

 

নির্মাণশ্রমিক জহির মিয়া বলেন, ‘দুপুরের দিকে কাজ করা খুব কষ্ট হয়ে যায়। শরীর থেকে ঘাম ঝরতেই থাকে। বারবার পানি খেতে হয়। একটু পরপর বিশ্রাম না নিলে কাজ করা যায় না’

 

বর্তমান তাপদাহ আরও এক থেকে দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা।

 

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন বলেন, ‘সাগরে একটি আবহাওয়াগত সিস্টেম সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে বৃষ্টির একটি বলয় তৈরি হয়েছে এবং মেঘও জমা হচ্ছে। সিস্টেমটির প্রভাব বাড়লে সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কমে আসবে এবং গরমের তীব্রতাও অনেকটা হ্রাস পাবে।’

 

এদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন, তীব্র গরমে শিশু, বয়স্ক এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান, প্রয়োজন ছাড়া দুপুরের রোদ এড়িয়ে চলা এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করলে মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।

 

সূত্র: সিলেট ভয়েস 

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)