আজ বৃহস্পতিবার | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কানাইঘাটে ভারত থেকে আসা যুবতিকে ১০ দিন আটক রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

কানাইঘাটে ভারত থেকে আসা যুবতিকে ১০ দিন আটক রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

ছবি: সংগৃহীত


সিলেটের কানাইঘাটে ভারত থেকে আসা ২২বছরের এক নারীকে ১০দিন আটক রেখে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে ১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে নাঈম উদ্দিন (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। নাঈম ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার ২নং আসামি ও উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদপূর্ব ইউনিয়নের দনাপাত্তি ছড়া গ্রামের আব্দুর রহমান ডালু মিয়ার পুত্র।

 

ভিকটিমকে থানা পুলিশ হেফজতে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে যায়, শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ওই নারী ৯মাস পূর্বে নিজ বাড়ি থেকে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার হয়ে ভারতের হায়দ্রাবাদে যায়। সেখানে কাপড়ের ব্যবসা করেন। গত ২০ আগস্ট জাহাঙ্গীর নামের তার এক মামার সহায়তায় বাংলাদেশে আসার জন্য হায়দ্রাবাদ হতে ভারতের সীমান্তবর্তী নন্দনপুর এলাকায় আসে। এ সময় ভারতীয় বিএসএফ তার মামা জাহাঙ্গীরকে আটক করে নিয়ে যায় এবং মেয়েটির কান্নাকাটির কারনে কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বিএসএফ।

 

ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলার দনা পাত্তিছড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র শানুর আহমদ (৩০), আব্দুর রহমান ডালুর পুত্র নাঈম উদ্দিন (২২), শাহনুর আলীর পুত্র কাওছার আহমদ(৩০), দনা রাঙ্গিছড়া গ্রামের মঈন উদ্দিনের পুত্র হুসাইন আহমদ (২৪), কুতুব আলীর পুত্র রিয়াজ উদ্দিন (৩০), দনা রাতাছড়া গ্রামের ছলু মিয়ার পুত্র ইকবাল আহমদ (২৮)’র সাথে ওই নারীর দেখা হয়।

 

তারা মেয়েটিকে নিজবাড়ি শেরপুরে পৌছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে শানুরের নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে প্রায় ১০দিন আটক রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম মেম্বারের সহায়তায় উদ্ধার হলে ওই নারী বুধবার কানাইঘাট থানায় এসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।

 

মামলা দায়েরের সাথে সাথে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় বুধবার ভোর রাতে পুলিশ দুর্গম পাহাড়ী দনা সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার নাঈম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। নাঈমকে বুধবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে থানার ওসি জানিয়েছেন।

 

সূত্র: সিলেট টুডে

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)