ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের জৈন্তাপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের সংঘর্ষে স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ঘিলাতৈল গ্রামে বর্তমান ইউপি সদস্য মনসুর আহমদ ও সাবেক ইউপি সদস্য পঙ্কি মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে।

ওসিকে লক্ষ্য করে হামলা
সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমান ইউপি সদস্য মনসুর আহমদের দাবি, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর সমর্থকদের মালিকানাধীন অন্তত ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে।
এক দিন আগেও সংঘর্ষ
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই ঘটনায় পথচারীসহ ১৮ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় অবৈধ চোরাচালান ও মানব পাচারের কথিত রুট নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতা থেকেই বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে এ দাবির স্বাধীন কোনো সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মীমাংসার উদ্যোগ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি বিরোধ মেটাতে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাফিজ এবং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার এ বৈঠক ডেকেছেন।
জৈন্তাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উভয় পক্ষের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই পক্ষের এই বিরোধকে কেন্দ্র করে পরপর দুই দিনের সংঘর্ষে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: সারাক্ষণ
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.