আসন্ন ক্রয়াদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে বর্তমানে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনেনীত প্রার্থী। কোন বাধাবিপত্তি না তাকায় নির্বাচনী মাঠে এই দুই দলের প্রার্থী ফুরফুরে অবস্থায়।
এদিকে দল জোটবদ্ধ হওয়ায় নির্বাচনী মাঠে বেকায়দায় রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর বিদ্রোহী প্রার্থীরা।
জানা যায়, এই আসনে বর্তমানে ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীতায়। এরমধ্যে বিএনপির মনোনীত এমরান আহমদ চৌধুরী ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ আনে দলের বিকল্প প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় এখন দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে ওড়েন এমরান আহমদ চৌধুরী। জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার আগে এ আসনটি জামায়াতে ইসলামীর ভয় ছিল আসনটি হাতছাড়া হওয়ার। কিন্তু আসন বন্টনে এই আসনটি ভাগে পায় জামায়াতে ইসলামী। ফলপ এই আসনে এখন প্রার্থী হিসেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজ রয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী এডভোকেট জাহিদুর রহমান।
গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার পর এই আসনটি গণঅধিকার পরিষদের হাতছাড়া হয়ে যায়। জোটে না থাকলেও দলীয় প্রতিক ট্রাক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন তিনি। জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুন নূর লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে মাঠে থাকলেও কোন সুবিধা করতে পারছেননা। গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অনেকেই তার পাশে নেই বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। তিনি প্রবাসী হওয়ার কারণে মাঠেও তেমন প্রভাব নেই তার। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে প্রথমে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। কিন্তু দলটি জেটে যাওয়ার পর এই আসনটি হাতছাড়া হয়ে যায় তার। এখন তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে (হেলিকপ্টার) প্রতিক নিয়ে রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে। বর্তমানে সতন্ত্র প্রার্থী হলেও মাওলানা মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সাথে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের বড় একটি অংশ তার সাথে রয়েছে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.