আজ বৃহস্পতিবার | ২৮ মে ২০২৬

সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে ৩৪৫ টন লবণ বরাদ্দ

সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে ৩৪৫ টন লবণ বরাদ্দ

কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে সিলেট জেলায় ৩৪৫ টন লবণ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। চামড়া যাতে নষ্ট না হয় এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এ উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে চামড়া পাচার ঠেকাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।



জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চলতি ঈদুল আজহায় সিলেট জেলায় ৭০ থেকে ৮৫ হাজার পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব চামড়া সংরক্ষণে পর্যাপ্ত লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।



সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, চামড়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত লবণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি চামড়া যাতে কোনোভাবে পাচার না হয়, সেদিকেও নজরদারি করা হচ্ছে।



এদিকে, শুরুতে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন ‘কওমি মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদ’ বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ না করার ঘোষণা দিলে সিলেটে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর তারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চামড়া সংগ্রহে অংশ নেওয়ার কথা জানায়।



সংগঠনটির সদস্যসচিব মাওলানা মুশতাক আহমদ খান বলেন, জেলা প্রশাসক আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কাঁচা চামড়া পরিবহন ও সংরক্ষণেও সহযোগিতা দেওয়া হবে।



তিনি আরও জানান, ঈদের ছুটিতে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি চলে যাওয়ায় আগের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে চামড়া সংগ্রহ করা সম্ভব হবে না। নগরবাসীকে নিকটবর্তী মাদ্রাসায় চামড়া পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।



প্রতিবছর ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া কওমি মাদ্রাসাগুলোর অন্যতম অর্থের উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে সংরক্ষণের অভাব ও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেক সময় চামড়া নষ্ট হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)