আজ শুক্রবার | ২৯ মে ২০২৬

সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক

সিলেটে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত অর্ধশতাধিক

ছবিঃ সংগৃহীত


ঈদুল আজহার দিন সিলেট নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দা-ছুরির আঘাত, গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতে আহত এসব ব্যক্তির মধ্যে ২০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

 

 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত আহত ব্যক্তিরা ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। ঈদের দিনজুড়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহত ব্যক্তিদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

ওসমানী হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ইউনিটের কর্তব্যরতরা জানান, আহতদের বেশির ভাগই কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় অসাবধানতাবশত ধারালো দা ও ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পশু নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতে কয়েকজন আহত হন। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, অভিজ্ঞতার অভাব ও অপেশাদারভাবে পশু জবাই করতে গিয়েই বেশির ভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

 

 

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ার জামান বলেন, সিলেটের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে আহত প্রায় ৫০ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৩০ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাকি ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

 

তিনি আরও জানান, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই সিলেটে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে যারা পেশাদার কসাই নন, তাদের মধ্যে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি থাকে। অভিজ্ঞ কসাইয়ের সহায়তা নেওয়া এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

 

 

এ বিষয়ে জানতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)