ইশ, স্কোরটা যদি আরেকটু বড় করতে পারত ব্যাটার তাহলে ম্যাচের ফলটা অন্যরকম হতে পারত। বিপিএল থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর হয়তো এমন দীর্ঘশ্বাসই নিচ্ছেন রংপুর রাইডার্সের বোলাররা।
তবে শেষ ওভারে ম্যাচটা জমিয়ে দিয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ। কিন্তু শেষ বলে দুর্দান্ত বোলিংটার পূর্ণতা দিতে পারলেন না পাকিস্তানের পেসার।
১ বলে ৬ রানের সমীকরণের সময় কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে নায়ক বনে যান ক্রিস ওকস। ইংল্যান্ড পেসারের হাঁকানো শটটি বাউন্ডারি ছাড়া হতেই দুই ডাগআউটে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়।
সিলেট টাইটানসের ডাগআউট থেকে পাগলাটে দৌড়ে মাঠে ঢুকে উদযাপনে মাতেন মেহেদী হাসান মিরাজ-পারভেজ হোসেন ইমনরা। নায়ক ওকস শুধু মুষ্টিবদ্ধ হাত উঁচিয়ে জানান দিলেন বন্দরে পৌঁছে গেছে জাহাজ।
বিপরীতে মুঠো থেকে জয় হারানোর হতাশায় নিমজ্জিত হয় রংপুরের ডাগআউট। কয়েকজন ক্রিকেটার তো মাঠেই শুয়ে পড়লেন।
১১২ রান তাড়া করতে নেমে সহজ জয় দেখছিল সিলেট। তবে ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী’ দিতে রাজি ছিলেন না রংপুরের বোলাররা।
তাই তো শেষ ওভারে ম্যাচ নিয়ে যান মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানারা। কিন্তু শেষ ওভারে ৬ বলে ৯ সমীকরণে দারুণ বোলিং করেও পরাজিত দলেই থাকলেন ফাহিম। প্রথম বলে ডাবল দেওয়ার পর টানা দুই বল ডট দেন তিনি।
চতুর্থ বলে মঈন আলীকে আউট করে রংপুরকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ফাহিম। কিন্তু শেষ বলে ওকসকে আর বিট করতে পারলেন না পাকিস্তানি পেসার।
তাতে সিলেটের ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলেন ওকস।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.