মৌলভীবাজার-১ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আমিনুল ইসলামের বড় ভাই ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের ওপর বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন মিঠুর অনুসারীদের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ, জামায়াত নেতারা টাকা বিতরণে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেন।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে জুড়ি উপজেলার শিলুয়া চা-বাগান সংলগ্ন মাগুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় গাড়িতে থাকা জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থী আমিনুল ইসলামের বড় ভাই আতিকুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও আব্দুর রহমান, জেলা যুব শক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম রুমেল, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ ও তারেকসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
জামায়াতের অভিযোগ, নেতাকর্মীরা জুড়ি উপজেলার শিলুয়া চা-বাগান এলাকার নির্বাচন প্রস্তুতি পরিদর্শন করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কুশলাদি বিনিময় শেষে তারা নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথিমধ্যে মাগুরা এলাকায় পৌছলে বিএনপি প্রার্থী মিঠুর সমর্থকরা তাদের গাড়ি গতিরোধ করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালায়। এ সময় জাহিদুল ইসলাম রুমেলকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
গুরুতর আহত রুমেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেলা নায়েবে আমির আব্দুর রহমানকে সিলেটের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে আইসিউতে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনার খবর মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে জুড়ি থানা ঘেরাও করে রাখে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, আসামিদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তারা থানার সামনে থেকে না সরে যাওয়ার ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নাসির উদ্দীন মিঠু বলেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন শিলুয়া এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে টাকা বিতরণ করার চেষ্টা করলে আমার নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এদিকে আরও কয়েকজন আমার বাসার সামনে হামলা করার চেষ্টা করে। আমি প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেছি।
গুরুতর আহত জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, নাসির উদ্দীন মিঠুর নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। আমি নিজেও তাদের হাতে হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।
জুড়ী উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মারুফ দস্তগীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপরাধী যে কেউ হোক তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.