এক মাস সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় আবহ ও আনন্দ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দে মেতেছে মুসলিম সম্প্রদায় । ঈদ মোবারক।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা পবিত্র রমজানে পুরো এক মাস রোজা পালন করেন। আজ শনিবার সকালে জামাতে মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায় করছেন।
এবার সিলেট জেলা ও মহানগরজুড়ে প্রায় ৩ হাজার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। প্রতিটি জামাতে দেশ ও জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সিলেট মহানগরীতে প্রতিবারের মতো পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে। এখানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে আটটায়।
শাহী ঈদগাহে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূমসহ বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ নামাজ আদায় করেন।
হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) দরগাহ মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
বন্দরবাজারস্থ ঐতিহ্যবাহী কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় ও তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের ইমাম ও খতিব শায়খ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দিন আহমদ এবং তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ মাওলানা হোসাইন আহমদ।
সরকারী আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে আনজুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামায়াত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে পুরো সিলেটজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কড়া। পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঈদগাহ-মসজিদ এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখেন।
মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের জন্য প্রবেশ ও বাইরের পথগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা গেছে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.