ছবিঃ সংগৃহীত
সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত অবস্থায় ৩ জন পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত কামরুল ইসলাম উপজেলার লেঙ্গুরা গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরের দিকে লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের লেঙ্গুড়া নদীর পার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় কামরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই জেরে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
ঘটনার শুরুতে কামরুল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাবেক মেম্বার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে মোসাম্মৎ রুকছানা আক্তারকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতে গুরুতর জখম করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিল্লাল মেম্বারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কামরুলের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালায়। এ সময় তারা কামরুলকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাত, পা ও গলায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করলে সে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় কামরুলকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কামরুলের মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় আহত অবস্থায় বিল্লাল উদ্দিন, তার মেয়ে রুকসানা বেগম এবং জুনেদ আহমদকে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেট টুডে
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.