আজ বৃহস্পতিবার | ২৯ অক্টোবর ২০২৬

 শিরোনাম
বিয়ানীবাজারে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আহত ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বিয়ানীবাজারসহ একসাথে সিলেটের ৩ সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি বালাগঞ্জে আপন ভাতিজার হাতে চাচা খুন, দাফন সম্পন্ন ফেসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, সুনামগঞ্জে যুবক গ্রেপ্তার জকিগঞ্জে ছেলের হামলায় মায়ের মৃত্যু, শিশু সহ আহত ৪ অভিযুক্ত ছেলে গ্রেপ্তার জুড়ী-বড়লেখা সীমান্তে তিন দিনে ৩০ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করলো বিজিবি জৈন্তাপুরে কলেজের পাশ থেকে নুরুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার এইচএসসির ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, যেভাবে জানবেন গোয়াইনঘাটে স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, অভিযুক্ত শিহাব গ্রেফতার ফুটপাতের খাবারের দোকানের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, কারা পড়বেন আওতায়

সুরমা-কুশিয়ারার পানি বাড়ছে, কানাইঘাট ও ফেঞ্চুগঞ্জে বিপদসীমা অতিক্রম

সুরমা-কুশিয়ারার পানি বাড়ছে, কানাইঘাট ও ফেঞ্চুগঞ্জে বিপদসীমা অতিক্রম

ছবিঃ সংগৃহীত


টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সিলেট জেলার প্রধান দুটি নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়ছে। জেলার দুটি গেজ স্টেশনে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড।



বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ৩টা পর্যন্ত পাউবোর পরিমাপকৃত তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার সামান্য ওপর দিয়ে। কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টেও পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে গেছে।



উবোর তথ্যমতে, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমা ধরা হয়েছে ১২.৭৫ মিটার  বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় এই পয়েন্টে পানি সমতল ছিল ১২.৭৫ মিটার, যা দুপুর ৩টায় বেড়ে দাঁড়ায় ১২.৭৬ মিটারে। অর্থাৎ কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমার পানি এখন বিপদসীমার সামান্য ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 



তবে সিলেট শহর পয়েন্টে সুরমার পানি এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। এখানে বিপদসীমা ১০.৮০ মিটার হলেও দুপুর ৩টা পর্যন্ত পানি সমতল ছিল ১০.০৭ মিটার, অর্থাৎ বিপদসীমার প্রায় ০.৭৩ মিটার নিচে। এই এলাকায়  কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৯.৪৫ মিটার। বৃহস্পতিবার সারাদিন এই পয়েন্টে পানি সমতল স্থির ছিল ৯.৮৩ মিটারে, যা বিপদসীমার প্রায় ০.৩৮ মিটার ওপরে।


কুশিয়ারা নদীর অন্যান্য পয়েন্টে অবশ্য এখনো পানি নিরাপদ সীমার মধ্যেই রয়েছে। অমলশিদ পয়েন্টে (বিপদসীমা ১৫.৮০ মিটার) দুপুর ৩টায় পানি সমতল ছিল ১৫.৪০ মিটার। শেওলা পয়েন্টে (বিপদসীমা ১৩.০৫ মিটার) পানি ছিল ১২.৮০ মিটার, এই এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৬ মিলিমিটার। শেরপুর পয়েন্টে (বিপদসীমা ৮.৫৫ মিটার) পানি সমতল ছিল ৮.১৩ মিটার।


জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি এখনো নিরাপদ সীমার মধ্যে রয়েছে। সারি-গোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে (বিপদসীমা ১২.৩৫ মিটার) পানি ছিল ১০.২৩ মিটার এবং গোয়াইনঘাট পয়েন্টে (বিপদসীমা ১০.৮২ মিটার) পানি ছিল ৯.৫৪ মিটার। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে (বিপদসীমা ১৩.০০ মিটার) পানি সমতল ছিল ৯.৭৮ মিটার।



এছাড়া লোভা নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানি সমতল ছিল ১৩.১৮ মিটার এবং ধলা নদীর ইসলামপুর পয়েন্টে ছিল ৯.৫১ মিটার। পাউবোর তথ্য অনুযায়ী এই দুটি পয়েন্টের জন্য নির্দিষ্ট বিপদসীমা নির্ধারিত নেই।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)