মধপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বোমা হামলায় নিহত আহমদ আলীর (সালেহ আহমদ) মরদেহ দেশে ফিরেছে। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরে আসে সালেহ’র কফিনবন্দী মরদেহ।
এসময় প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মরদেহ গ্রহণ করেন। এরআগে দুবাই থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছে আহমদ আলীর মরদেহ। সেখান থেকে বিমানে সিলেটে নিয়ে আসা হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে ইরানের মিসাইল হামলায় মারা যান আলী। ৩৫ বছর ধরে দুবাইয়ে ছিলেন তিনি। পটাসপোর্ট অনুযায়ী আর তার আহমদ আলী হলেও নিজ এলাকায় তিনি সালেহ আহমদ নামে পরিচিত।
মরদেহ সিলেটে পৌঁচার পর তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আহমদ আলীর ছেলে, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিতে বিমানবন্দরে আসেন। এসময় প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী তাদের সান্তনা দেন।
মরদেহ গ্রহণের পর প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে এ চার বাংলাদেশি মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছি। তারমধ্যে একজন দুবাই, একজন বাহারাইন ও দুজন সৌদি আরবে মারা গেছেন। আজ একজনের মরদেহ দেশে আনা হলো। পর্যায়ক্রমে মরদেহ আনা হবে।
তিনি বলেন, যারা আহত হয়েছেন তারাও সেসব দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছি। পরিবারের সাথেও যোগাযোগ রাখছি। প্রবাসীদের পাশে আমরা আছি।
তিনি বলেন, আমি নিহতের লাশ নিয়ে তার গ্রামের বড়ি যাবো। তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, নিহতদের পারিবারকে সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করা হবে।
লাশ গ্রহণের পর নিহতের চাচাতো ভাই কামাল আহমদ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে সরকারের তরফ থেকে আমাদের পরিবারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। আমাদের দাবি, আমার ভাইকে যেনো শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.