সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে আম্বরখানা ফাঁড়ি পুলিশ এয়ারপোর্ট থানাধীন চৌখিদেখী বাঁশবাড়ি গলিস্থ বাসা নং রংধনু-২০০/৬ এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ২টি চাইনিজ কুড়াল, ৬টি রামদা, ৩টি বড় আকারের ছুরি, ৬টি লোহার পাইপ ও ১টি কাঠের রোলসহ ডাকাত দলের ৬ জন সদস্যকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃত আসামীদের দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একই দিন রাত আনুমানিক পৌণে ৪টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন খাসদবীর এলাকা থেকে ডাকাত দলের মূলহোতা ইসতিয়াক রহমান রাজু (৩২)-কে গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ঢাকা দক্ষিণ এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে ইসতিয়ার রহমান রাজু (৩২), সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার রায় নগর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে বাবর আহমেদ (৩৫), সিলেট জেলার কোতোয়ালী থানার দক্ষিণ কানিশাইল এলাকার মুর উদ্দিনের ছেলে মোঃ জুয়েল (৩৪), সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার রায়নগর এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে শাহীদ উস সামাদ (৩৫), জামালপুর জেলার জামালপুর সদর থানার নান্দিনা এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মোঃ সজীব হোসেন (২৭), শরীয়তপুর জেলার শরীয়তপুর সদর থানার নইরা শালদাহ এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে রায়হান আহমেদ (৩৯) ও গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার হায়দারাবাদ এলাকার মৃত সেলিমের ছেলে তানভীর মাহতাব (২৮)।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মিডিয়া (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং-১৪, তারিখ-২১/১২/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩৯৯/৪০২ পেনাল কোড ১৮৬০ এবং মামলা নং-১৫, তারিখ-২১/১২/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-১৯(১)/২০, দ্য আর্মস অ্যাক্ট ১৮৭৮। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মহানগরীতে অপরাধ দমনে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.