আজ বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

শান্তর সেঞ্চুরি, মুশফিকের ফিফটিতে রাজশাহীর রাজসিক জয়

শান্তর সেঞ্চুরি, মুশফিকের ফিফটিতে রাজশাহীর রাজসিক জয়

বন্ধু মিরাজের প্রথম বলেই শান্তর ছক্কা। দুই বন্ধুর লড়াইয়ের মতো দুই বন্ধুর দলের মধ্যকার লড়াইটাও হলো জমজমাট। চায়ের দেশ সিলেটে। শুরুতেই জমে ক্ষীর বিপিএল। তবে সিলেট ও রাজশাহীর মধ্যকার ম্যাচে শেষ হাসিটা হাসলো কারা? শান্ত এদিন হয়ে ওঠেন অশান্ত। তার ব্যাটে ভর করে জয়টাও এসেছে রাজশাহীর দখলে। তবে কাজটা এত সহজ ছিল না, বিশেষ করে লক্ষ্য যখন ১৯১। 

 

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মেহেদী হাসান মিরাজের সিলেট উড়ন্ত সূচনা পায় সাইম আইয়ুবের ব্যাটে ভর করে। ১৫ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ২৮ রান করে তিনি বিদায় নিলে ক্রিজে নামেন জাজাই। ১৮ বলে ২০ রান করে জাজাই ফেরেন সাজঘরে, তার আগে দুটি চারের সাথে হাঁকান একটি ছক্কা। ক্রিজে থিতু হয়ে দেখেশুনে খেলতে থাকেন অভিজ্ঞ ওপেনার রনি তালুকদার। আর তাকে সঙ্গ দেন পারভেজ হোসেন ইমন।

এরপর ইমনই সবচেয়ে বেশি বিনোদন দিয়েছেন দর্শকদের। বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থ তানজিম হাসান সাকিবের সাথে মাইন্ড গেমে দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। লাগাতার স্লোয়ার দিয়েও সুবিধা করতে পারেননি সাকিব, উল্টো হয়েছেন পরাস্ত। ইমনের ব্যাটে ভর করে সিলেট হাঁটতে থাকে বড় পুঁজির দিকে।


রনি তালুকদার ৩৪ বলে ৪১ রান করে সাজঘরে ফিরলেও ইমন ঠিকই তুলে নেন অর্ধশতক। ২৮ বলে তিনটি চার ও চারটি ছক্কায় পৌঁছে যান পঞ্চাশের মাইলফলকে। অপর প্রান্তে উজ্জ্বল ছিলেন আফিফ হোসেন ধ্রুবও। তাদের ব্যাটে ভর করে সিলেট পেয়ে যায় লড়াই করার মতো সংগ্রহ।


১৯ বলে ৩৩ রান করে আফিফ বিদায় নেন শেষ ওভারে। ৩৩ বলে ৬৫ রান করে ইমন অপরাজিতই থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে সিলেটের পুঁজি দাঁড়ায় ১৯০। রাজশাহীর পক্ষে সন্দীপ লামিচানে দুটি এবং তানজিম হাসান সাকিব ও বিনুরা ফার্নান্দো একটি করে উইকেট পান।

জবাব দিতে নেমে দলীয় ১৯ রানেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। সাহিবজাদা ফারহান থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও ১৯ বলে ২০ রান করে ফেরেন সাজঘরে। তবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এক প্রান্ত আগলে রাখেন। ৩৬ বলে পূর্ণ করেন ফিফটি।

ফিফটির পর আরও মারকুটে ব্যাটিং শুরু করেন রাজশাহীর দলপতি। সাথে যোগ দেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও। শেষপর্যন্ত সিলেটের রানের পাহাড় টপকে তাই উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। রাজশাহী জয় নিশ্চিত করে ৮ উইকেট ও ২ বল হাতে রেখে। ৫৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা শান্ত ৬০ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩১ বলে ৫১ রান করে জয়সূচক রান এনে দেন মুশফিক।

পূর্ববর্তী খবর পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬)

পরবর্তী খবর পড়ুন

জসীম উদ্‌দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ - ১৩ মার্চ ১৯৭৬)