২০২৬ সালে বিপুল সংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি করবে যুক্তরাজ্য, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া। স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় লোক নেবে এ দেশেগুলো।
বিশেষ করে কানাডা ২০২৬ সালেও বিপুল সংখ্যক স্থায়ী বাসিন্দা নেবে, অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ পেশাদারদের চাহিদা রয়েছে, এবং ইউকে ও জার্মানিতেও দক্ষ কর্মী ভিসায় ভালো সুযোগ আছে, যেখানে পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক পারমিট ও স্থায়ী হওয়ার পথ সুগম হচ্ছে। তবে, H-1B ভিসার মতো কিছু ক্ষেত্রে (যুক্তরাষ্ট্র) নীতিমালার পরিবর্তন ও কড়াকড়ি আসছে, তাই আপডেটেড তথ্য দেখা জরুরি।
সুযোগ
কানাডা: ২০২৬ সালেও প্রায় ৩,৮০,০০০ নতুন স্থায়ী বাসিন্দা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে, দক্ষ অভিবাসনে জোর দেওয়া হচ্ছে এবং পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট (PGWP) দীর্ঘমেয়াদী (২-৩ বছর) ও ওপেন ওয়ার্ক পারমিট হিসেবে স্থায়ী হওয়ার পথ সুগম করে।
অস্ট্রেলিয়া: প্রতি বছর প্রায় ১,৮৫,০০০ স্থায়ী রেসিডেন্সি বরাদ্দ করে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২-৩ বছরের পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার (সাবক্লাস ৪85) সুযোগ ও আঞ্চলিক ইনসেনটিভ আছে।
যুক্তরাজ্য: পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক (গ্র্যাজুয়েট রুট) ২ বছরের জন্য চালু আছে (PhD-এর জন্য ৩ বছর), যা পড়াশোনা শেষে কাজ ও স্থায়ী হওয়ার সুযোগ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্র: STEM গ্র্যাজুয়েটদের জন্য STEM OPT (Optional Practical Training) ১২ থেকে ৩৬ মাস পর্যন্ত বাড়ানো যায়, তবে H-1B ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়ায় নতুন সুরক্ষা ও শর্ত যুক্ত হয়েছে।
সাধারণ: IT, স্বাস্থ্যসেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং ও STEM পেশায় দক্ষদের জন্য সব দেশেই ভালো বেতন ও সুযোগ বিদ্যমান, এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনার পর কাজ করে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও পরিবর্তন
কানাডা (PGWP): সাধারণত ৮ মাসের ফুল-টাইম প্রোগ্রামের পর ২-৩ বছরের ওপেন ওয়ার্ক পারমিট। এই অভিজ্ঞতা কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস (CEC)-এর মাধ্যমে স্থায়ী হতে সাহায্য করে।
যুক্তরাষ্ট্র (H-1B): H-1B ভিসার জন্য নিয়োগকর্তাদের অতিরিক্ত $100,000 প্রদানের বাধ্যবাধকতা সহ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শ্রমিকদের সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া (Student Visa): ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা আপডেটেড নিয়মাবলী যাচাই করবেন, কারণ পলিসি পরিবর্তন হতে পারে।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.