ছবিঃ সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেটের দুই নতুন মুখ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন পাঁচ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারা।
এর আগে আজ সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন এই দুই সাংসদ। প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও সিলেট-৪ আসনের আরিফুল হক চৌধুরী।
সূত্রে জানা গেছে, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। আর আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় এবং প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সিলেট থেকে মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়া আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দুজনেই বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ (সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মুক্তাদির।
এর আগে ২০১৮ সালে তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী ইউনিয়নের আহমদপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া মুক্তাদির রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর পিতা প্রয়াত খন্দকার আব্দুল মালিক ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন, তিনবারের সংসদ সদস্য এবং সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
অন্যদিকে, নতুন মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া আরিফুল হক চৌধুরীও জামায়াতের প্রার্থী জয়নাল আবেদিনকে হারিয়ে বিজয়ী হন। সিলেট সিটি করপোরেশনের দুইবারের সাবেক মেয়র ও ‘ম্যাজিক ম্যান’ খ্যাত এই নেতা নির্বাচনী জয়ের পর প্রথমবারের মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তৃণমূল থেকে উঠে আসা আরিফ ২০০৩ সালে সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। পরে ২০১৩ ও ২০১৮ সালে টানা দুইবার সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা।
বৈরাগীবাজার নিউজ ডেস্ক
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.